1. live@dailypurbavas24.com : news online : news online
  2. info@dailypurbavas24.com : দৈনিক পূর্বাভাস :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন

টাঙ্গাইলে লাল শাপলা বিলের সৌন্দর্য্যে মুগ্ধদেশ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৩৬৪ বার পড়া হয়েছে
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি :  টাঙ্গাইলের বাসাইলে বিলের শতোর্ধো একর জমিতে ফুটে থাকা লাল শাপলা মুগ্ধ করছে প্রকৃতিপ্রেমীদের।শাপলা বিল এখন যেন অন্যরকম আবেগের জড়ানো অনুভূতি। টাঙ্গাইল জেলার বাসাইলে এমদাদীয়া-হামীদিয়া ডিগ্রি কলেজের সামনে এই শাপলা বিলের অবস্থান। এই বিলের লাল শাপলা দেখতে দিন দিন বাড়ছে দর্শনার্থীর আগমন। লাল শাপলা পেয়ে আনন্দে আত্মহারা দর্শনার্থীরা। একে অপরকে আগ্রহী করে ছুটে যাচ্ছেন লাল শাপলা বিলে।
বাসাইল পৌর শহরের কলেজপাড়া এলাকার এই বিল-টি খ্যাতি পেয়েছে লাল শাপলার বিল নামে। রোদের তাপে নুইয়ে পড়ে বলে ভোরের সূর্য জানান দেয়ার আগেই লাল শাপলার সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে ছুটে আসেন নানা প্রান্তের প্রকৃতিপ্রেমীরা। সাথে বাড়তি আকর্ষণ বিলের পাড়ে বিচ্ছিন্নভাবে ডানা মেলা কাঁশফুল। ফুটে থাকা কাঁশফুল জানান দিচ্ছে প্রকৃতিতে বর্ষা শেষে শরৎ এর আগমণী বার্তা। তবুও বর্ষার স্নিগ্ধতার রেশ এখনো রয়েছে প্রকৃতিতে। খাল-বিলের থই থই জলে ফুটে থাকে এসব শাপলা। তেমনই এক শরৎ এর সকালে শুভ্র নীল আকাশ আর হালকা কুয়াশার চাদরে মোড়া ধরণীতে সবেমাত্র উঁকি দিচ্ছে কুসুম সূর্য্য। সেই সূর্য্য শাপলার সবুজ পাতা আর লাল পাপড়িতে জমে থাকা শিশিরে ধরা দিয়েছে চিকিমিকি মুক্তা হয়ে।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিদিন ভোরে দূর-দূরান্ত থেকে শত শত প্রকৃতিপ্রেমী তরুণ-তরুণীরা ফুটে থাকা লাল শাপলার সৌন্দর্য্য দেখতে ছুটে আসছেন বাসাইল পৌর শহরের কলেজপাড়া এলাকার এই বিলে।রোদের তাপে নুইয়ে পরে বলে ভোরের আলো ফুটতেই লাল শাপলার সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে ছুটে আসছেন নানা বয়সী নারী-পুরুষও।কেউ কেউ কাদা মাড়িয়ে শাপলা তুলে খোঁপায় গুঁজছেন আবার কেউ শাপলা জড়িয়ে ছবি তুলছেন। এ যেন লাল শাপলা ফুলের মেলা।
কেবল সৌন্দর্য্য উপভোগই নয়, এই লাল শাপলা হয়ে উঠেছে প্রান্তিক মানুষের জীবিকার উৎসও। এখান থেকে প্রতিদিন আহরণ করা হচ্ছে প্রায় ১৫ হাজার টাকার শালুক। তবে বিলে নৌকা না থাকায় নানা ভোগান্তিও পোহাতে হচ্ছে দর্শনার্থীদের।
দর্শনার্থী এরিনা ইরিন বলেন, আমি টাঙ্গাইল শহর থেকে এখানে লাল শাপলা দেখতে এসেছি। দেখে অনেক ভালো লাগার দৌরাত্ম্য অনেক দূর পর্যন্ত গিয়েছে, তবে বিলে নৌকা থাকলে আরেকটু বাড়তি রোমান্টিকতা যুক্ত হতো।এখন কাদামাটি মাড়িয়ে শাপলা বিলে যেতে হয়।
শিক্ষার্থী বর্ষা বলেন,আমি এখানে প্রথম এসেছি। বিলের শাপলা দেখে আমি মুগ্ধ।বিলের মাঝখানে যাতায়াতের ব্যবস্থা ভালো হলে আরো দর্শনার্থীরা আসবে।
ঘুরতে আসা প্রকৌশলী সায়মা খান বলেন,আমি বাসাইলেরই মেয়ে।আগে এখানে তেমন মানুষ আসত না।এখন লাল শাপলার কথা শুনে অনেক মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে আসছেন।বিনোদনের একটা জায়গা হয়েছে। সবাই তাদের ইচ্ছামতো ছবি তুলছে। তিনি আরো বলেন, আগামী মৌসুমে নৌকাসহ পর্যটন উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা গেলে এই শাপলা বিলকে কেন্দ্র করে বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© www.dailypurbavas24.com