শুক্রবার এক শোকবার্তায় নতুনধারার নেতৃবৃন্দ বলেছেন, সংবাদ-সাংবাদিকতা ও বাংলা ভাষার জন্য আজীবন নিবেদিত ভাষা আন্দোলনে আবদুল গফুর সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আমাদেরকে ঋণী করেছেন। তিনি অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন।অধ্যাপক আবদুল গফুর সুনামের সঙ্গে সাংবাদিকতা করেছেন। তার মৃত্যু বাংলাদেশের গণমাধ্যমের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী, প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা কৃষকবন্ধু আবদুল মান্নান আজাদ, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নিপুন মিস্ত্রী প্রমুখ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।
শুক্রবার রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আবদুল গফুর। উল্লেখ্য, ভাষাসৈনিক অধ্যাপক আবদুল গফুর ১৯২৯ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি রাজবাড়ী জেলার খোর্দ্দদাদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৭ সালে তিনি সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।তিনি ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র ‘সৈনিক’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ভাষা আন্দোলনে অবদান রাখার জন্য ২০০৫ সালে তাকে একুশে পদক দেওয়া হয়। তিনি সর্বশেষ ফিচার এডিটর হিসেবে দৈনিক ইনকিলাবে দায়িত্ব পালন করেন।