জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, বন্দিবিনিময় চুক্তি অনুযায়ী অপরাধীদের ফেরত দিতে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই। নিপীড়নের জন্য দায়ী পুলিশ কর্মকর্তারা কোথায়? বিপ্লবী সরকারকে পর্যুদস্ত করা যাবে না। কোনো রকম ষড়যন্ত্রে যেন সরকার ব্যর্থ না হয়। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি নেতা এড. আবদুসসামাদ আজাদ, মীর সরফত আলী সপু ও নজরুল ইসলাম মোল্লা।
প্রতিবাদ-এর সভাপতি ইব্রাহিম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জনাব ফারুক আরো বলেন, তিনি বলেন, প্রশাসনে এখনও কেনো বিগত সরকারের লোকেরা বসে আছে? বিগত সরকারের দোসরদের খু্ঁজে বের করতে হবে। হাসিনা আবারও দেশে আসার চক্রান্ত করছে। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। সন্ত্রাসী দলকে রাজনীতি করতে দিলে দেশ আরও ২০ বছর পিছিয়ে যাবে।
রোডম্যাপের নির্বাচনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই ঠিক করবে সংবিধান পরিবর্তন হবে কি হবে না মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ওয়ান ইলেভেনের মতো আরেকটি চক্রের ষড়যন্ত্রের শিকার যেন না হতে হয় অন্তর্বতী সরকারকে। সেজন্য যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচনের রোডম্যাপ দিতে হবে। তারপরই জনগণ বিশ্বাস করবে এটা ১/১১ এর সরকার নয়, ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের বিপ্লবী সরকার।









