
তবে পরে জানা গেছে, সেটি আসল ট্রফি নয়; বরং বিশ্বকাপ ট্রফির আদলে লেগো দিয়ে তৈরি একটি নকল খেলনার ট্রফি। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
উল্লেখ্য, লেগো হলো প্লাস্টিকের তৈরি এক ধরনের বিশ্ববিখ্যাত খেলনা ব্লক বা টুকরো। ছোট ছোট ব্লক একটির সঙ্গে আরেকটি জোড়া দিয়ে গাড়ি, বাড়ি, রোবট, বিমান, এমনকি পুরো একটি শহরও তৈরি করা যায়।
অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে স্পেন দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জেতে। ফাইনালে এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ড ও আর্জেন্টিনার খেলা ছিল আলোচনার বিষয়। তবে ম্যাচ-পরবর্তী উদ্যাপনের সময় কুকুরেয়ার হাতে প্লাস্টিকের ব্যাগে ট্রফিসদৃশ বস্তুটি দেখা যাওয়ার পর সেটিই নতুন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।
ভিডিওতে দেখা যায়, স্টেডিয়াম থেকে বের হওয়ার সময় কুকুরেয়ার হাতে একটি সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগ। ব্যাগের ভেতরে থাকা বস্তুটির আকৃতি বিশ্বকাপ ট্রফির মতো হওয়ায় অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেন।
অনেকেই রসিকতা শুরু করেন, যে ট্রফি সাধারণত বিলাসবহুল লুই ভিটনের বাক্সে পরিবহন করা হয়, সেটি কুকুরেয়া বাজারের ব্যাগে নিয়ে ঘুরছেন।
দৃশ্যটি আরও হাস্যকর হয়ে ওঠে যখন দেখা যায়, কুকুরেয়ার ঠিক পেছনেই স্প্যানিশ দলের এক কর্মকর্তা আসল ট্রফি বহনের জন্য নির্ধারিত ভারী ও খালি সুরক্ষামূলক বাক্সটি একা হাতে বয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
জানা যায়, কুকুরেয়ার হাতে থাকা বস্তুটি সম্ভবত ফিফার আসল বিশ্বকাপ ট্রফি ছিল না।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেটি বিশ্বকাপ ট্রফির একটি লেগো প্রতিরূপ হতে পারে। ফলে শুরুতে যেটিকে অবাক করা দৃশ্য মনে হয়েছিল, সেটি শেষ পর্যন্ত স্পেনের খেলোয়াড়দের উদ্যাপনের একটি মজার মুহূর্ত হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
তবে এটি যে বিশ্বকাপ শিরোপার একটি নকল রেপ্লিকা ছিল কি না সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য। পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পায় স্পেন। নির্ধারিত সময়ের শেষদিকে পাও কুবারসির ওপর বেপরোয়া ট্যাকলের কারণে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এঞ্জো ফার্নান্দেজ। ফলে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা।
গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ কয়েকটি দুর্দান্ত সেভ করে দলকে লড়াইয়ে রাখলেও ১০৬তম মিনিটে স্পেন কাঙ্ক্ষিত গোল পেয়ে যায়। নিকো উইলিয়ামসের হেড থেকে বল পেয়ে জালে পাঠান ফেরান তোরেস। এই জয়ের মাধ্যমে স্পেন পুরুষদের বিশ্বকাপের দ্বিতীয় শিরোপা জেতে।