পরে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করা হয়। স্পটে এখনো পুলিশ অবস্থান করছে। আটকরা হলেন- গুলিবদ্ধ রুবেল ও আমির। বাকি দুজন কাশেম ও মো. জয়।
ভুক্তভোগী শফিকুলের স্বজন মো. মুসলিম বলেন, আমার ভাই বাসা থেকে নগদ তিন লাখ টাকা নিয়ে দোকানে আসে। সে দোকান খুলে বসা মাত্রই ৪ থেকে ৫ জন চাপাতি হাতে দোকানে আসে। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই তার ডান হাতে কোপ দিয়ে টাকা ও বিকাশ ব্যবহার করার মোবাইল নিয়ে যায়।
কবজি কাটা গ্যাংটি আদাবর ১০, ১৭, শ্যামলী হাউজিং, তুরাগ হাউজিং এবং মোহাম্মদপুর থানার ঢাকা উদ্যান, নবীনগর, চন্দ্রিমা হাউজিংসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও দখলের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।