<
বুধবার (২৬ মার্চ) সংগঠনের ঝিনাইদহ জেলা আহ্বায়ক আবু হুরাইরা স্বাক্ষরিত চিঠিতে বিষয়টি জানানো হয়। একই সঙ্গে ভিডিও এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে জানতে একটি কমিটি গঠন করা হয়। আগামী দুই কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
এর আগে, গত মঙ্গলবার রাত ৯টার পর জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব সাইদুর রহমান ও মুখপাত্র এলামা খাতুনের একটি ১ মিনিট ১২ সেকেন্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ব্যাগ হাতে সংগঠনের ঝিনাইদহ জেলা শাখার মুখপাত্র এলমা খাতুন একটি কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন। এরপর সঙ্গে থাকা ব্যাগ রেখে পাশে খাটের ওপর বসেন। আগে থেকে খাটে শুয়ে ছিলেন সদস্যসচিব সাইদুর রহমান। এরপর সাইদুর একটি পাতলা কম্বল নিজের শরীরের ওপর বিছিয়ে দেন আর এলমা খাতুন তার পাশে খাটে হেলান দিয়ে মোবাইল ফোন টিপতে থাকেন। পরে একটি মদের বোতল হাতে নেন এলমা খাতুন।
এ ব্যাপারে জানতে এলমা খাতুনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করে সাড়া না দেওয়ায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।