
প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যানবেইস’কে অর্থায়ন করেছে কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংকের সহযোগিতায় ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট ফান্ড । ব্যানবেইস কর্তৃপক্ষ ৭ নভেম্বর ২০২১ সালে চুক্তিবদ্ধ হয় কোরিয়ান ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তাইহান কনসরটিআমের সাথে । ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি আবার সাব-ঠিকাদার হিসাবে কাজ দেয় দেশীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জ্যাক্স ইন্টারন্যাশনাল’কে ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রকল্পটির বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য, কোরিয়ান ও দেশীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মিলে প্রকল্পটির কাজ করছে । সব কিছুতেই বেশ গোপনীয়তা । প্রকল্পের বাজেট ৩ কোটি ২৯ লাখ টাকার উপরে। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে ২০০ দিনের টার্গেট দেওয়া হয়েছিলো । চুক্তি অনুযায়ী কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিলো ২০২২ সনের মে মাসে । কিন্তু ঠিকাদার নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করেনি । অতিরিক্ত সময় নিয়েছে ২ বছর ৯ মাস । অদ্যবধি পর্যন্ত কাজের মোট সময় চলছে ৩ বছর ৩ মাস ২৫ দিন । কাজ শেষ হয়েছে মাত্র ৫০ ভাগ । বাকি কাজ শেষ করতে, কবে পুনরায় কাজ শুরু হবে কেউ জানেনা । কারণ কোরিয়ান ও দেশীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কেউই যোগাযোগ করতে পারছেনা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আরিফা আখতার বলেন, প্রকল্পটির কাজের ধীরগতি দেখে সাবেক ইউএনও শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্স ও সাবেক সংসদ সদস্য নূর মোহাম্মদ এঁর সাথে কথা বলেছিলাম । এরপরও কাজের কোন অগ্রগতি পায়নি । এখন প্রকল্পের কাজ বন্ধ । কবে নাগাদ কাজ শুরু হবে এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে কোন তথ্য নেই ।
ব্যানবেইস এঁর মহাপরিচালক মো. মজিবুর রহমান বলেন, একটি বিশেষ কারণে প্রকল্পের কাজ বন্ধ আছে । এবং পূর্বের ফার্মটি ডিসকোয়ালিফাই হয়েছে । নতুন ফার্মের সাথে চুক্তির কাজ চলছে । খুব দ্রুত কাজ শুরু করা হবে ।